একুশে টেলিভিশন ডিজিটাল টিমের জন্য গাইডলাইন
উদ্দেশ্য: আমাদের মূল লক্ষ্য হলো, ফেসবুক ও ইউটিউবের কমিউনিটি গাইডলাইন বা নিয়মকানুন মেনে চলা, SEO (সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন) ঠিক রাখা এবং আমাদের কনটেন্টের রিচ (reach) বাড়ানো।
নিম্নের গাইডলাইন গুলি আপলোডার, ওয়েবে কর্তব্যরত ও ডিজিটাল কন্টেন্ট ক্রিয়েটর সকলের জন্য। ডিজিটাল কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য প্যাকেজ নির্মাণের আলাদা গাইডলাইনো মেনে চলতে হবে।
১. সবচেয়ে জরুরি বিষয়: প্ল্যাটফর্মের নিয়মকানুন 📜
আমাদের সম্মানটাই সবচেয়ে বড়। একটা ভুলের কারণে কনটেন্ট ডিলিট হওয়া থেকে শুরু করে চ্যানেল বন্ধও হয়ে যেতে পারে। তাই সবসময় প্ল্যাটফর্মের নিয়ম মেনে চলতে হবে।
মেটা (ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম) গাইডলাইন
ফেসবুক এখন অনেক বেশি সতর্ক। তাই এই বিষয়গুলো খেয়াল রাখতেই হবে:
ভয়ংকর বা গ্রাফিক কনটেন্ট: নিউজের প্রয়োজনে আমাদের অনেক সংবেদনশীল ফুটেজ দেখাতে হয়।
অতিরিক্ত ভয়ংকর বা বীভৎস কিছু সরাসরি দেখানো যাবে না, নিউজরুমের ওভ বা প্যাকেজে অনেক সময় সেনসিটিভ সিন দেখায় সেটা আমাদের ব্লার করে দিতে হবে আবার পুরোটাই যদি এমন হয় তাহলে তা দেয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
যেকোন সেনসিটিভ শব্দ ভেঙ্গে দিতে হবে, যেমন:
হামলা = হাম/লা
ধর্ষণ = ধ*র্ষণ
যুদ্ধ = যু*দ্ধ
নিহত = নি/হত
মারধর = মা\রধ\র
খুন= খু/ন
ধ্বংস = ধ্বং*স
যেকোন শব্দ যেটায় সন্দেহ হয় সেটাই ভেঙ্গে দিবেন বা আপনার সিনিয়র কে জিজ্ঞাসা করবেন।
ভুল তথ্য (Misinformation): আমরা একটি নিউজ চ্যানেল, তাই আমাদের তথ্যের ওপর মানুষের ভরসা আছে। ফেসবুকে এর আগে এমন ভুয়া খবর প্রচার করায় আমাদের মনেটাইজেশন স্ট্রাইক এসেছিল। এটা মেইনলি, ফোটোকার্ড যারা পোস্ট করেন তাদের ক্ষেত্রে বেশি প্রযোজ্য।
যেকোনো তথ্য পোস্ট করার আগে অন্তত দুটি সোর্স থেকে যাচাই করে নিতে হবে।
এমন কোনো শিরোনাম দেওয়া যাবে না, যা ভিডিওর ভেতরের তথ্যের সাথে মেলে না (Clickbait)।
কপিরাইট: আমরা শুধু সেই অডিও বা ভিডিও ব্যবহার করব, যার স্বত্ব আমাদের আছে। আমাদের নিজস্ব আর্কাইভ কিংবা আগের প্যাকেজ থেকে ফুটেজ নিতে পারবেন। যদি অন্য কোন সোর্স থেকে নিতেই হয়, তাহলে সেই ভিডিও আমরা ৩-৪ সেকেন্ডের বেশি নিবো না আর অডিও না নেয়ার চেষ্টা করব। ভুলক্রমেও অন্য চ্যানেলের লোগো আনা যাবেই না!
আন্তর্জাতিক: রয়টার্স বাদে অন্য ফুটেজ ব্যবহার হবে না।
ইউটিউব গাইডলাইন
ইউটিউব এই বিষয়গুলোতে আরও বেশি কঠোর।
ক্ষতিকর বা বিপজ্জনক কনটেন্ট: এমন কিছু দেখানো যাবে না যা দেখে মানুষ কোনো বিপজ্জনক বা বেআইনি কাজ করতে উৎসাহিত হয়। আগুন, লাশ, মারামারি, রক্ত, নগ্নতা, গালিগালাজ করছে, মাদক সেবন (এমনকি সিগারেট সেবন) এমন কোন ভিডিও কিংবা অডিও দেয়া যাবে না! যদি দিতেই হয় তাহলে তা ব্লার করে দিতে হবে।
শিশু নিরাপত্তা: শিশুদের নিয়ে তৈরি করা কনটেন্টের ক্ষেত্রে ইউটিউব খুব সংবেদনশীল। শিশুদের কোনো ধরনের বিপদের মুখে ফেলে এমন কিছু পোস্ট করা যাবে না। এমনকি গ্রামে বা বস্তির এমন কিছু ফুটেজ থাকে যেখানে শিশুরা নগ্ন, ঐ ফুটেজও ব্লার করে দিতে হবে।
২. এসইও (SEO): মানুষ যেভাবে আমাদের খুঁজে পাবে 🔍
মানুষ যেন সার্চ করলেই আমাদের কনটেন্ট খুঁজে পায়, সেজন্য SEO খুবই জরুরি।
কীওয়ার্ড রিসার্চ
শিরোনাম লেখার আগে এক মিনিট ভাবুন: "এই খবরটা খুঁজতে মানুষ কী লিখে সার্চ করতে পারে?"
ধরেন হাসিনা নিয়ে কোন একটা কন্টেন্ট আপলোড করছেন, তাহলে আপনি হেডলাইনের পাশে বার দিয়ে এভাবে লিখতে পারেন = | HASINA | AWAMI LEAGUE | MODI |
গুলশানের আগুন নিয়ে খবর হলে কীওয়ার্ড হবে: "গুলশানে আ*গুন," "Dhaka fire," "Gulshan Fire," ইত্যাদি।
টাইটেলই আসল খেলা
আপনার ভিডিওর শিরোনামই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
ফর্মুলা: মূল কীওয়ার্ড (আকর্ষণীয় একটি লাইন) | দ্বিতীয় কীওয়ার্ড | Ekushey Television. টাইটেল ও স্ক্রিপ্ট অবশ্যই, নিউজ এডিটর (রিয়াজ ভাই) কিংবা, দায়িত্বরত নিউজরুম এডিটর কে দিয়ে চেক করাবেন!
ভালো উদাহরণ: রাজধানীর গুলশানে ভয়াবহ আ*গুন (Gulshan Fire) | ভবনের ভেতরে আটকা অনেকে | Ekushey TV
খারাপ উদাহরণ: আ*গুন লেগেছে
নির্দেশনা:
সবচেয়ে জরুরি কীওয়ার্ড বা কথাটি শিরোনামের শুরুতে রাখুন।
শিরোনাম ৭০ অক্ষরের মধ্যে রাখার চেষ্টা করুন।
ডেসক্রিপশন ও ট্যাগ
ডেসক্রিপশন: প্রথম দুই লাইনে ভিডিওটি সম্পর্কে সংক্ষেপে লিখুন এবং সেখানে মূল কীওয়ার্ড ব্যবহার করুন। ডেসক্রিপশনে একটা সাসপেন্সমূলক কিছু রাখার চেষ্টা করবেন সব কিছু সাস্পেন্সে বলে দিলে মানুষ ভিডিও দেখবে না।
হ্যাশট্যাগ: ডেসক্রিপশনের শেষে ৩-৫টি প্রাসঙ্গিক হ্যাশট্যাগ দিন। যেমন: #GulshanFire #গুলশান আগু*ন #EkusheyTV।
ট্যাগ (ইউটিউব ও ফেসবুক উভয়ের জন্য): খবরের সাথে যায় এমন কিছু ট্যাগ ইংলিশ ও বাংলা দুইটাই (যেমন: gulshan fire, dhaka news, bangladesh news হাসিনা ইউনুস) ব্যবহার করুন। প্রতিটি ভিডিওতে Ekushey Television এবং ETV ট্যাগ অবশ্যই রাখবেন।
৩. রিচ ও এনগেজমেন্ট বাড়ানো 📈
মানুষ কী পছন্দ করে এবং অ্যালগরিদম কী চায়, তা বুঝলেই রিচ বাড়বে।
থাম্বনেইল: আমাদের ডিজিটাল বিলবোর্ড
সম্প্রতি আমাদের থাম্বনেল খুবি নিম্নমানের ও একেকজন একেক ডিজাইন ফলো করছেন! থাম্বনেইল টেমপ্লেট সবাই একটাই ব্যবহার করবেন। নিউজরুম কন্টেন্ট, র ফুটেজ, বা অন্যান্য কন্টেন্টের জন্য নীল একুশে টেলিভিশন টেমপ্লেট এবং স্পেশাল কন্টেন্টের জন্য লাল একু (শিফট ইনচার্জ থেকে নিশ্চিত হয়ে নিন আপনার থাম্বনেইল টেমপ্লেট ঠিক আছে কি না)
মানুষ থাম্বনেইল দেখেই ৯০% ক্ষেত্রে ভিডিওতে ক্লিক করে। তাই এটি হতে হবে আকর্ষণীয়। আমরা বর্তমানে ভিডিওর দুইটা স্ক্রিনশট মেরে দেই! তবে এইটা থাম্বনেইল না!
পরিষ্কার ছবি: ছবিটি উজ্জ্বল এবং হাই-রেজোলিউশনের হতে হবে।
আবেগ: ছবিতে কোনো মানুষের স্পষ্ট আবেগ (যেমন: বিস্ময়, আতঙ্ক, আনন্দ) বা ঘটনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তটি তুলে ধরুন।
অল্প লেখা: লেখা অতিরিক্ত দীর্ঘ করা যাবে না। লেখাগুলো বড়, বোল্ড এবং আমাদের টিভির প্রেস্ক্রাইবড কালার (সাদা ও হলুদ) হতে হবে।
থাম্বনেইল ডিজেইনের ক্ষেত্রে, শুধু ভিডিওর দুটি স্ক্রিনশট মেরে দিলে চলবে না! ভিডিও থেকে প্রাসঙ্গিক ও ক্যাচি (নজরকারা) স্ক্রিনশট নিতে হবে এবং তার সাথে আরও কিছু এড করতে হবে, যেমন যিনি মেইন সাবজেক্ট তার আলাদা ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করা ছবি, বা যদি কোন ঘটনা হয় তাহলে সেই ঘটনার সবচেয়ে বিস্ময়কর মমেন্টের স্ক্রিনশট সংগে তার উপরের একটা লাল সার্কেল দিয়ে দিলেন। মুল কথা, থাম্বনেইল দেখে যেন ভিউয়াররা ক্লিক করে আর তা দেখতে সুন্দর হতে হবে।
সময় ও ধারাবাহিকতা
সঠিক সময়ে পোস্ট: ডিজিটাল কন্টেন্ট ক্রিয়েটররা অ্যানালিটিক্স দেখুন আমাদের দর্শকরা কখন সবচেয়ে বেশি অ্যাকটিভ থাকে। সেই সময়ে গুরুত্বপূর্ণ পোস্টগুলো শিডিউল করুন। যেমন সকাল ১১-১২ঃ৩০ পর্যন্ত এবং বিকেল ৫ টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত এই পিক সময়টাতে প্রিমিয়ার করুন। প্রিমিয়ার করার আগে অবশ্যই চেক করুন অন্য কোন কন্টেন্ট প্রিমিয়ার করা আছে কি না!
৪. আপলোডের আগে শেষ মুহূর্তের চেক ✅
প্রতিটি ভিডিও আপলোড করার আগে এই বিষয়গুলো মিলিয়ে নিন:
গাইডলাইন চেক: কনটেন্টটি কি ফেসবুক বা ইউটিউবের কোনো নিয়ম ভাঙছে?
টাইটেল: SEO-ফ্রেন্ডলি এবং আকর্ষণীয় হয়েছে কি? (নিউজরুম এডিটর দ্বারা পরীক্ষিত?)
ডেসক্রিপশন: প্রথম দুই লাইনে কীওয়ার্ডসহ সারাংশ লেখা হয়েছে?
ট্যাগ/হ্যাশট্যাগ: জরুরি ট্যাগ ও হ্যাশট্যাগ যোগ করা হয়েছে?
থাম্বনেইল: ছবিটি কি পরিষ্কার এবং ক্লিক করার মতো?
CTA: দর্শকদের কি কিছু করতে বলা হয়েছে (লাইক, কমেন্ট, শেয়ার)?
বানান: শিরোনাম ও ডেসক্রিপশনে কোনো বানান ভুল আছে কি?
৪. ডিসপিউট ম্যানেজমেন্ট
আপনাদের সকলের কাছে ফেসবুক ও ইউটিউবে এক্সেস থাকার ফলে অনেক সময়েই, আপনারা নোটিফিকেশন কিংবা, ইমেইল পাবেন, তবে এবিষয়ে আপনারা কোন কিছু করবেন না, শুধুমাত্র এবিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্তরাই (রাইয়ান ও জয়) পদক্ষেপ গ্রহন করবেন।
৫. মোবাইল/ মাল্টিমিডিয়া জার্নালিস্ট
১. লাইভ চলাকালীন সময় আপনাদের, অতি সাবধানতায় লাইভ দিয়ে হবে, অনেক বেশি মারামারি, রক্ত, খুনাখুনি, গালিগালাজ বা উপরে যে কন্টেন্ট আপলোড করতে মানা করা হয়েছে তা লাইভেও দেখানো যাবে না।
২. লাইভ অবশ্যই ফেসবুক, ও ইউটিউব উভয়ে করতে হবে, যদি ফিড পাওয়া না যায় তাহলে প্রথমে ফেসবুকে লাইভ দিবেন এবং ফেসবুক লাইভ শেষ করে, ইউটিউবে লাইভ দিবেন। (ইউটিউব এক্সেস বিষয়ে রিয়াজ ভাইয়ের সংগে কথা বলে নিবেন)
৩. লাইভ চলাকালীন সময় যদি গান বেজে উঠে তৎক্ষণাৎ মাইক মিউট করে দিবেন এবং গান বন্ধ হওয়ার ওয়েট করেন, যদি গান এক মিনিটের বেশি সময় চলতেই থাকে, তাহলে লাইভ অফ করে, গানের স্থান থেকে সরে এসে আবার লাইভ শুরু করবেন।
৪. স্পেশাল কন্টেন্টের ক্ষেত্রেও উপর্যুক্ত নীতিমালা মানতে বাধ্য থাকবেন।
৫. বড় কোন ইভেন্ট যেমন সমাবেশ, প্রেস কনফারেন্স বা যেখানে আমাদের টিভি/নিউজরুমের রিপোর্টার থাকবে, সেখানে আপনার বক্তব্য, বা টিভির ক্যামেরা যে ফুটেজ নিচ্ছে সেই একই ফুটেজ নেয়ার কোন প্রয়োজন নেই, ডিজিটাল রিপোর্টার হিসেবে আপনার উদ্দেশ্যই থাকবে সাইড স্টোরি কিংবা ভাইরাল কন্টেন্ট খুজে বের করা। গত কয়েক সমাবেশে, আপনাদের শুধু নেতাদের বক্তব্য নিতেই দেখা গেছে অথচ অন্যান্য, ডিজিটালে একই সমাবেশ থেকে অনেক ভিন্নধর্মী কন্টেন্ট দেখা গেছে।
একটি শীর্ষ স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদক হিসেবে, আপনার বিচক্ষণতা কাম্য!
৬. ব্যবস্থাপনা ও জবাবদিহিতা (Demerit System)
এই গাইডলাইনগুলো যথাযথভাবে অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। কাজের মান নিশ্চিত করতে এবং সবাইকে দায়বদ্ধ রাখতে একটি ডিমেরিট সিস্টেম চালু করা হলো।
ডিমেরিট পয়েন্ট: গাইডলাইন অনুযায়ী মানসম্মত না হলে কিংবা পরিহার্য ভুল হলে, প্রতিটি কনটেন্টের জন্য একটি করে ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ হবে।
পর্যবেক্ষণ ও রিপোর্টিং: প্রতিটি শিফটের কনটেন্ট পর্যবেক্ষণ করবেন সেই শিফটের শিফট ইনচার্জ এবং শিফট শেষে নিউজ এডিটর (রিয়াজ ভাই)-কে এর একটি রিপোর্ট দেবেন। রিপোর্টে উক্ত ডিমেরিট পয়েন্টের হিসেব উল্লেখ থাকতে হবে। ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ করার ক্ষেত্রে শিফট ইনচার্জকে কঠোর হতে হবে। অবহেলা, খামখেয়ালী কিংবা উদাসীন মনোভাবের, একুশে টেলিভিশনে কোন জায়গা দেয়া হবে না।
মাসিক পর্যালোচনা: প্রতি মাস শেষে, সংগৃহীত ডিমেরিট পয়েন্ট নিয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
জবাবদিহিতা: যদি কোনো শিফটের রিপোর্ট নিরপেক্ষভাবে জমা না দেওয়া হয় বা দায়িত্বে অবহেলা করা হয়, তবে সেই শিফট ইনচার্জের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই ডিমেরিট সিস্টেমের আওতায়, ডিজিটালের সকল কর্মী থাকবে, এক্সিকিউটিভ, মোজো, ভিডিও এডিটর, সাব এডিটর, নিউজরুম এডিটর, কন্টেন্ট ক্রিয়েটর, ট্রাইনি, ইন্টার্ন, সকলের তত্বাবধানে শিফট ইনচার্জ থাকবেন, এবং শিফট ইনচার্জ নিউজ এডিটরের জবাবদিহিতার আওতায় থাকবে।
এই ডিমেরিট সিস্টেম এই মুহূর্ত থেকে কার্যকর হবে (১২/০৮/২০২৫ তারিখের সকালের শিফট থেকে)
আমাদের ডিজিটাল সাফল্য আমাদের সবার ওপর নির্ভর করছে। চলুন, সবাই মিলে এই নিয়মগুলো মেনে একুশে টেলিভিশনকে বিশেষ করে আমার ডিজিটাল টিমকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাই!